উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
নুসরাত বিনতে শহিদ ||
উৎসে কর কর্তন ও জমাদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই লক্ষ্য অর্জনে কর অঞ্চলসমূহের বিশেষ টিম গঠন করে মাঠপর্যায়ে জোরদার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।আজ রোববার (১৯ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।এনবিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১৪৭ ধারার আওতায় কর কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে করদাতা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেতন থাকতে হবে।আইনের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী কর কর্মকর্তারা যেসব বিশেষ ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন:সরেজমিন পরিদর্শন: যেকোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ, ব্যবসা কেন্দ্র বা দফতরে প্রবেশ করে সরাসরি পরিদর্শন করতে পারবেন।নথিপত্র পরীক্ষা: প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই, ভাউচার, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, রসিদ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট যেকোনো নথিপত্র পরীক্ষা ও তলব করার পূর্ণ ক্ষমতা কর্মকর্তাদের রয়েছে।ডিজিটাল তথ্য পর্যালোচনা: কম্পিউটার সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভার, ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংরক্ষিত তথ্য পর্যালোচনা এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ভেঙে তথ্য সংগ্রহ করার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে।নথি জব্দ ও সিলমোহর: উৎসে কর্তিত করের সত্যতা যাচাইয়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় হিসাবের খাতা, নথিপত্র, ইলেকট্রনিক রেকর্ড বা ডিভাইস সাময়িকভাবে জব্দ করে নিজস্ব হেফাজতে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে তারা নথিপত্র, ইমেজ বা হিসাবের অনুলিপি সংগ্রহ এবং সেগুলোতে সনাক্তকরণ চিহ্ন বা সিলমোহর ব্যবহার করতে পারবেন।জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও করদাতাদের এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করার এবং আয়কর আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।