উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
বিশেষ প্রতিনিধি , Special Correspondent ||
রাজধানীর রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড এলাকার একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও কারিগরি সেবা গ্রহণের পরও দীর্ঘ দুই বছর ধরে পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং দ্রুত পাওনা পরিশোধ না হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশন অ্যান্ড সার্ভিস সেন্টার-এর স্বত্বাধিকারী ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ ২০২৪ সালে এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর বিভিন্ন শিল্পযন্ত্রের যান্ত্রিক ত্রুটি নিরসন, মেরামত এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজ সম্পন্ন করেন।ভুক্তভোগীর দাবি, কাজ শেষে মোট বিলের একটি অংশ পরিশোধ করা হলেও ৬২ হাজার টাকা এখনো বকেয়া রয়েছে। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত একাধিকবার পাওনা অর্থ চাওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় নানা অজুহাত ও তালবাহানা করে অর্থ পরিশোধে বিলম্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে এপিক প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ-এর প্রোপ্রাইটর মো. কামাল মজুমদার-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রায়েরবাগ খানকা শরীফ রোড, ঢাকা।ভুক্তভোগী ইঞ্জিনিয়ার মো. মাকসুদ জানান, পাওনা অর্থ আদায়ের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে আসছেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও একাধিকবার মো. কামাল মজুমদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও পাওনা অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বিষয়টি গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। দ্রুত বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।বিঃদ্রঃ: এই প্রতিবেদনটি ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।