উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
মোঃ আলী আহসান, Senior Staff Reporter ||
স্বাস্থ্য ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ১৯৭১-এর পর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ, বাকশাল কায়েম ও দুর্ভিক্ষের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। দেশি-বিদেশি আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের হাত থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সাধারণ মানুষ ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একযোগে রাজপথে নেমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশের দায়িত্ব অর্পণ করেছিল।শনিবার (0৭ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ডিসপ্লে ও ফুটবল ম্যাচ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিবন্ধী শিশু কিশোর নিয়ে সেরিব্রাল পালসি দিবস উদযাপনে এক ব্যতিক্রমী র্যালিতে যোগ দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের সচেতন করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় শাসন কায়েম, রক্ষীবাহিনীর নিপীড়ন এবং দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে দেশকে যে চরম বিপর্যয়ে ফেলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী ফ্যাসিবাদী আমলেও জনগণ একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। যেভাবে ’২৪-এ তরুণ সমাজ দেশকে মুক্ত করতে জেগে উঠেছে, ঠিক একইভাবে ’৭৫-এও সিপাহী-জনতা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।তিনি আরও বলেন, কোনো আগ্রাসী বা আধিপত্যবাদী শক্তি যেন আর কখনো জনগণের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করতে না পারে, সেজন্য সেনাবাহিনী, তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষকে ৭ নভেম্বরের ঐক্য ও সংহতির চেতনা ধরে রাখতে হবে।তরুণদের দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকেই আগামী দিনের সুখী, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের বিকশিত করার তাগিদ দেন তিনি।অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু-কিশোর ও তাদের পরিবার এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।