সাভারের আশুলিয়ার ব্যস্ততম বাইপাইল এলাকায় অবস্থিত পদ্মা গেস্ট হাউজ, হিমালয় গেস্ট হাউজ এবং হোটেল ইউনিক আবাসিক গেস্ট হাউজকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসব আবাসিক প্রতিষ্ঠানে দিনে ও গভীর রাত পর্যন্ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা বেড়েছে, যা এলাকায় সামাজিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু গেস্ট হাউজে অতিথিদের পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয় না এবং প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনে পরিচালনার ক্ষেত্রেও অনিয়ম রয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও কার্যকর নজরদারি না থাকায় পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, অতিথিদের পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করা এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষকে আটক করেছিল পুলিশ। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়। ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজগুলোর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
সাভারের আশুলিয়ার ব্যস্ততম বাইপাইল এলাকায় অবস্থিত পদ্মা গেস্ট হাউজ, হিমালয় গেস্ট হাউজ এবং হোটেল ইউনিক আবাসিক গেস্ট হাউজকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এসব আবাসিক প্রতিষ্ঠানে দিনে ও গভীর রাত পর্যন্ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা বেড়েছে, যা এলাকায় সামাজিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু গেস্ট হাউজে অতিথিদের পরিচয় যথাযথভাবে যাচাই করা হয় না এবং প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন মেনে পরিচালনার ক্ষেত্রেও অনিয়ম রয়েছে। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে অনৈতিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও কার্যকর নজরদারি না থাকায় পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, অতিথিদের পরিচয় যাচাই নিশ্চিত করা এবং আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষকে আটক করেছিল পুলিশ। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়। ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং আবাসিক হোটেলগুলোর কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দেয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গেস্ট হাউজগুলোর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয়রা বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
