অভিযোগকারী সারজিদ আহমেদ অপু বর্তমানে দৈনিক মুখপাত্র-এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঢাকা মহানগর কোর কমিটির তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই সন্ধ্যার পর একটি অনুসন্ধানমূলক তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে তিনি মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জহিরুল ইসলামের পিতা মৃত দেলোয়ার হোসেন এবং মাতা নূরনেছা বেগম। তার বর্তমান ঠিকানা ৪৮/এ, দক্ষিণ বেগুনবাড়ি শিল্প এলাকা, তেজগাঁও, ঢাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা নরোত্তমপুর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, নোয়াখালী। অভিযোগে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭১৫-৭০০৯৭১ উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আজিম মিয়াকে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে দুটি ফেসবুক ফেক আইডির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই আইডিগুলো থেকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, এআই-নির্ভর ভুয়া কনটেন্ট এবং আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এর আগে চকবাজার থানা ও ডিবি সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ২৭ জুন সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সেই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে এবং তদন্তের স্বার্থে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও অভিযুক্ত অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন, অপমানজনক আচরণ করেন এবং হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য করেন এবং দলটির শাসনামলের প্রশংসা করে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ফোনালাপ শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন অচেনা মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপুর মোবাইলে একাধিকবার কল করা হয়, যা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
এ ঘটনার পর সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
অভিযোগকারী সারজিদ আহমেদ অপু বর্তমানে দৈনিক মুখপাত্র-এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, ঢাকা মহানগর কোর কমিটির তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই সন্ধ্যার পর একটি অনুসন্ধানমূলক তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে তিনি মো. জহিরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জহিরুল ইসলামের পিতা মৃত দেলোয়ার হোসেন এবং মাতা নূরনেছা বেগম। তার বর্তমান ঠিকানা ৪৮/এ, দক্ষিণ বেগুনবাড়ি শিল্প এলাকা, তেজগাঁও, ঢাকা এবং স্থায়ী ঠিকানা নরোত্তমপুর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, নোয়াখালী। অভিযোগে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭১৫-৭০০৯৭১ উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, দৈনিক সরেজমিন বার্তা পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আজিম মিয়াকে দীর্ঘ প্রায় দুই বছর ধরে দুটি ফেসবুক ফেক আইডির মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই আইডিগুলো থেকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, এআই-নির্ভর ভুয়া কনটেন্ট এবং আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এর আগে চকবাজার থানা ও ডিবি সাইবার ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, গত ২৭ জুন সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে অভিযুক্তের মুখ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সেই বিষয়টি সম্পর্কে জানতে এবং তদন্তের স্বার্থে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও অভিযুক্ত অশালীন ভাষায় গালাগাল করেন, অপমানজনক আচরণ করেন এবং হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ফোনালাপের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন মন্তব্য করেন এবং দলটির শাসনামলের প্রশংসা করে বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের ইঙ্গিত দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা সম্পর্কেও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ফোনালাপ শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন অচেনা মোবাইল নম্বর থেকে সাংবাদিক সারজিদ আহমেদ অপুর মোবাইলে একাধিকবার কল করা হয়, যা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।
এ ঘটনার পর সারজিদ আহমেদ অপু মতিঝিল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল ইসলামের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
