ডেইলি স্টেট পোস্টের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ও সাংবাদিক মো. আবু হাসানের ওপর অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, লুটপাট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি শাহজাহানপুর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে মো. আবু হাসান উল্লেখ করেন, গত ৩১ জুলাই ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা দুটি মোটরসাইকেলে তার বাড়িতে এসে একটি সংবাদ সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে বলে তাকে সঙ্গে যেতে বলেন। পরিচিত হওয়ায় তিনি তাদের কথায় বিশ্বাস করে মোটরসাইকেলে ওঠেন। পরে তাকে শাহজাহানপুর উপজেলার পারতেখুর-কুশাগাড়ী এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সেখানে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে গালিগালাজ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ৮ হাজার ৭৫০ টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও ফাইল মুছে ফেলা হয় এবং নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে স্বজনদের অবহিত করেন এবং পরবর্তীতে শাহজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগপত্রে ঘটনার দুইজন সাক্ষীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
ডেইলি স্টেট পোস্টের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ও সাংবাদিক মো. আবু হাসানের ওপর অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, লুটপাট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি শাহজাহানপুর থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে মো. আবু হাসান উল্লেখ করেন, গত ৩১ জুলাই ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা দুটি মোটরসাইকেলে তার বাড়িতে এসে একটি সংবাদ সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে বলে তাকে সঙ্গে যেতে বলেন। পরিচিত হওয়ায় তিনি তাদের কথায় বিশ্বাস করে মোটরসাইকেলে ওঠেন। পরে তাকে শাহজাহানপুর উপজেলার পারতেখুর-কুশাগাড়ী এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সেখানে তাকে জোরপূর্বক আটকে রেখে গালিগালাজ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
এছাড়া অভিযোগকারী দাবি করেন, তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ৮ হাজার ৭৫০ টাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও ফাইল মুছে ফেলা হয় এবং নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসে স্বজনদের অবহিত করেন এবং পরবর্তীতে শাহজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগপত্রে ঘটনার দুইজন সাক্ষীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
