বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভ্রমণে এসে এক মুহূর্তের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক তরুণ। কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং করার সময়
নিরাপত্তা সরঞ্জাম থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে গুরুতর আহত হন শৌভিক নামে এক পর্যটক। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের দরিয়ানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নয়জন বন্ধু একসঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। ভ্রমণের অংশ হিসেবে তারা প্যারাসেইলিংয়ে অংশ নেন। এ সময় হঠাৎ নিরাপত্তা সরঞ্জামে ত্রুটি বা বিচ্ছিন্নতার কারণে শৌভিক আকাশ থেকে সমুদ্রে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের বন্ধু ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আনন্দ ভ্রমণ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকাবহ ঘটনায়।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কক্সবাজারে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিরাপত্তা মানদণ্ড যথাযথভাবে নিশ্চিত না করেই একাধিক প্রতিষ্ঠান প্যারাসেইলিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের দাবি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পর্যটন কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্যারাসেইলিংসহ সব অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা বিধি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভ্রমণে এসে এক মুহূর্তের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক তরুণ। কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং করার সময়
নিরাপত্তা সরঞ্জাম থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে গুরুতর আহত হন শৌভিক নামে এক পর্যটক। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের দরিয়ানগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, নয়জন বন্ধু একসঙ্গে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। ভ্রমণের অংশ হিসেবে তারা প্যারাসেইলিংয়ে অংশ নেন। এ সময় হঠাৎ নিরাপত্তা সরঞ্জামে ত্রুটি বা বিচ্ছিন্নতার কারণে শৌভিক আকাশ থেকে সমুদ্রে পড়ে গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন ও সংশ্লিষ্টরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের বন্ধু ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আনন্দ ভ্রমণ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকাবহ ঘটনায়।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কক্সবাজারে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিরাপত্তা মানদণ্ড যথাযথভাবে নিশ্চিত না করেই একাধিক প্রতিষ্ঠান প্যারাসেইলিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের দাবি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পর্যটন কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্যারাসেইলিংসহ সব অ্যাডভেঞ্চার কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি ও নিরাপত্তা বিধি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
