মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করেন।
সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2) প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৫ জন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে এ বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় আসনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা করে। এ অর্থ সংশ্লিষ্ট এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো শক্তিশালী করার কাজে ব্যয় করা হবে।
অনুষ্ঠানে বরাদ্দপত্র গ্রহণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে স্থানীয় জনগণের সেবা গ্রহণের সুযোগ আরও বাড়বে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, GSID-2 প্রকল্পের আওতায় দেওয়া এই বিশেষ বরাদ্দ দেশের বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও জনসম্পৃক্ত স্থাপনাগুলোর উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এটি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে সকল এলাকার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এ বরাদ্দের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য বিশেষ বরাদ্দের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করেন।
সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2) প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৫ জন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে এ বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সংসদীয় আসনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা করে। এ অর্থ সংশ্লিষ্ট এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো শক্তিশালী করার কাজে ব্যয় করা হবে।
অনুষ্ঠানে বরাদ্দপত্র গ্রহণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে স্থানীয় জনগণের সেবা গ্রহণের সুযোগ আরও বাড়বে এবং সামাজিক সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, GSID-2 প্রকল্পের আওতায় দেওয়া এই বিশেষ বরাদ্দ দেশের বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মন্দির, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও জনসম্পৃক্ত স্থাপনাগুলোর উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এটি সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমে সকল এলাকার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এ বরাদ্দের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
