পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর উদ্যোগে শনিবার (৪ জুলাই) বরিশাল বিভাগে ব্যবসা পর্যালোচনা সভা ও বীমা দাবির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি. এম. ইউসুফ আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি. এম. শওকত আলী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভাগীয় ও শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং বিপুল সংখ্যক উন্নয়নকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বীমা দাবির অর্থ দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিশোধের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গ্রাহকদের হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, ব্যবসার টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর উদ্যোগে শনিবার (৪ জুলাই) বরিশাল বিভাগে ব্যবসা পর্যালোচনা সভা ও বীমা দাবির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য বি. এম. ইউসুফ আলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি. এম. শওকত আলী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভাগীয় ও শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং বিপুল সংখ্যক উন্নয়নকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
সভায় ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বীমা দাবির অর্থ দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে পরিশোধের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গ্রাহকদের হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করা হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, ব্যবসার টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
