জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতা জমির উদ্দিন সরকার আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জমির উদ্দিন সরকার ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তিনি ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একই সঙ্গে শিক্ষা, আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হন।
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী জমির উদ্দিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করে আইন পেশায় যুক্ত হন।
তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নেতা জমির উদ্দিন সরকার আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জমির উদ্দিন সরকার ২০০১ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০০২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর তিনি ২১ জুন থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একই সঙ্গে শিক্ষা, আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হন।
পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী জমির উদ্দিন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের লিঙ্কনস ইন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করে আইন পেশায় যুক্ত হন।
তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
