“আমরা করব জয়” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঢাকাস্থ ৬৪ জেলার ১৯৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৫টায় জাতীয় শিল্পকলা একাডেমী চত্বরে অনুষ্ঠিত এ আড্ডায় দেশের বিভিন্ন জেলার ৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুরা অংশ নেন।
দীর্ঘদিন পর একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ায় মিলনমেলা পরিণত হয় আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও স্মৃতিচারণের এক প্রাণবন্ত আয়োজনে। জেলার ভিন্নতা ভুলে বন্ধুরা একত্রিত হয়ে নিজেদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের নানা অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। পাশাপাশি শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি, পুরোনো দিনের বন্ধুত্ব এবং জীবনের নানা বাঁক নিয়ে চলে প্রাণখোলা আড্ডা।
আয়োজনে উপস্থিত বন্ধুরা বলেন, সময়ের সঙ্গে জীবনের ব্যস্ততা বেড়েছে, অনেকেই ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং নানা পেশায়। কিন্তু দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে। এমন আয়োজন বন্ধুদের আবারও কাছাকাছি আসার সুযোগ তৈরি করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।
তারা বলেন, ৬৪ জেলা হলেও বন্ধুত্বের জায়গায় কোনো দূরত্ব নেই। ১৯৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুরা একই পরিবারের সদস্যের মতো। পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার মাধ্যমে এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
মিলনমেলায় ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে বন্ধুদের একত্রিত করা, নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুদৃঢ় বন্ধুত্বের প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বন্ধুদের মধ্যে ছিল প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাস। পরিচয়পর্ব, মতবিনিময়, হাসি-আনন্দ ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমী চত্বর হয়ে ওঠে ৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনকেন্দ্র।
বন্ধুরা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন- সময় বদলাবে, কর্মজীবনের ব্যস্ততা বাড়বে, ঠিকানা বদলাবে; কিন্তু বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক যেন কখনো হারিয়ে না যায়।
৬৪ জেলা, এক বন্ধন—৯৭/৯৯ এক পরিবার। বন্ধুত্ব হোক অটুট, সম্পর্ক হোক আরও দৃঢ়—এই প্রত্যয়েই শেষ হয় প্রাণবন্ত এই মিলনমেলা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
“আমরা করব জয়” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ঢাকাস্থ ৬৪ জেলার ১৯৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৫টায় জাতীয় শিল্পকলা একাডেমী চত্বরে অনুষ্ঠিত এ আড্ডায় দেশের বিভিন্ন জেলার ৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুরা অংশ নেন।
দীর্ঘদিন পর একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ায় মিলনমেলা পরিণত হয় আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও স্মৃতিচারণের এক প্রাণবন্ত আয়োজনে। জেলার ভিন্নতা ভুলে বন্ধুরা একত্রিত হয়ে নিজেদের শিক্ষা ও কর্মজীবনের নানা অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। পাশাপাশি শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি, পুরোনো দিনের বন্ধুত্ব এবং জীবনের নানা বাঁক নিয়ে চলে প্রাণখোলা আড্ডা।
আয়োজনে উপস্থিত বন্ধুরা বলেন, সময়ের সঙ্গে জীবনের ব্যস্ততা বেড়েছে, অনেকেই ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এবং নানা পেশায়। কিন্তু দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখনো অটুট রয়েছে। এমন আয়োজন বন্ধুদের আবারও কাছাকাছি আসার সুযোগ তৈরি করে এবং পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।
তারা বলেন, ৬৪ জেলা হলেও বন্ধুত্বের জায়গায় কোনো দূরত্ব নেই। ১৯৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুরা একই পরিবারের সদস্যের মতো। পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ভালোবাসার মাধ্যমে এই বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
মিলনমেলায় ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে বন্ধুদের একত্রিত করা, নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুদৃঢ় বন্ধুত্বের প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বন্ধুদের মধ্যে ছিল প্রাণবন্ত উচ্ছ্বাস। পরিচয়পর্ব, মতবিনিময়, হাসি-আনন্দ ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিল্পকলা একাডেমী চত্বর হয়ে ওঠে ৯৭/৯৯ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনকেন্দ্র।
বন্ধুরা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন- সময় বদলাবে, কর্মজীবনের ব্যস্ততা বাড়বে, ঠিকানা বদলাবে; কিন্তু বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক যেন কখনো হারিয়ে না যায়।
৬৪ জেলা, এক বন্ধন—৯৭/৯৯ এক পরিবার। বন্ধুত্ব হোক অটুট, সম্পর্ক হোক আরও দৃঢ়—এই প্রত্যয়েই শেষ হয় প্রাণবন্ত এই মিলনমেলা।