Aziz Bhaban, Lift 7, 93 Motijheel, Dhaka 1000    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
দেশ-জার্নাল

অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ১ এজেন্ট গ্রেফতার



অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ১ এজেন্ট গ্রেফতার

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচারকারী চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একাধিক জুয়া সাইটের পরিচালনাকারী ও এজেন্ট মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। 


যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে ০৫.০০ ঘটিকার দিকে (২৯/০৯/২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত) তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম  স্নিগ্ধ সিকদার (৩১), পিতা- স্বপন কুমার সিকদার, মাতা- মিনা রানী সরকার, সাং- গ্রাম- বালিয়াট,  ইউপি- শেখহাটী, থানা- নড়াইল সদর, জেলা- নড়াইল। 


সূত্রে জানা যায়, সিআইডি নিয়মিত সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনাকালে দেখতে পায় যে, দেশের অভ্যন্তর ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং (জুয়া) ওয়েবসাইটের কার্যক্রম প রিচালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনোকে কেন্দ্র করে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে এসব বেটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।


অনলাইন বেটিং সাইটে ব্যবহৃত বিভিন্ন এজেন্টের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এমএফএস ও ব্যাংক হিসাবসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে সিআইডি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সহায়তায় তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন বেটিংয়ের এজেন্ট নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন। পরবর্তীতে জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত এজেন্টদের কমিশন পরিশোধের পর অবশিষ্ট অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করা হতো।


ইতোপূর্বে গত ১৩/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে এ মামলার অপর আসামি সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সুমন রায় আন্তর্জাতিক অনলাইন বেটিং ও অবৈধ জুয়া চক্রের বাংলাদেশ অংশের অন্যতম প্রধান কো-অর্ডিনেটর এবং আর্থিক লেনদেন (Deposit & Withdraw) নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে কাজ করতেন। পুরনো সাইটের পাশাপাশি পরবর্তীতে নতুন জুয়া সাইটের কাস্টমার সাপোর্ট  পরিচালনার দায়িত্বও তিনি পালন করতেন মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।


গ্রেফতারকৃত সুমন রায় আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং জবানবন্দিতে তার সহযোগী হিসেবে স্নিগ্ধ শিকদারের নাম প্রকাশ করেন। প্রাথমিক তদন্তে স্নিগ্ধ শিকদারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় সিআইডি তেজগাঁও থানায় মামলা নং-২০, তারিখ ১৭/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২০(২)/২১(২)/২২(২)/২৪(২)/২৭(২)/২৯(২) এর তদন্তেপ্রাপ্ত অভিযুক্ত হিসেবে তাকে গ্রেফতার করে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত স্নিগ্ধ সিকদার (৩১)কে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক নিজের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।


উল্লেখ্য, এ মামলায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সিআইডির একটি চৌকস অভিযানিক দল গত ০৭/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের মো. সোলায়মান (৪৭), মো. সাগর মিয়া (২৮) ও মো. জুয়েল রানা (৩২)-কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে গত ১৬/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একই চক্রের মো. রায়হান খান (২১), মো. পাভেল রহমান ভূঁইয়া (২৩) ও আবু জোবায়ের সানি (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে নড়াইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মো. জসিম উদ্দিন (৩৩) ও সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।


এছাড়াও গত ১৯/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখে রাজশাহী জেলার চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার রোড নং-০২, বাসা নং-২৬৪ থেকে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের সৈয়দ জামান (২৭) ও রুহুল কুদ্দুস @ বাপ্পী (২৮)-কে এবং গত ১৩/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বাবলু মিয়া (২৮), মো. মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪) ও শামীম আল মামুন (২৯)-কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।


অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অবৈধ লেনদেন, অর্থপাচার এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশি-বিদেশি চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন, অর্থপাচার কার্যক্রম এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


সিআইডি দেশের জনগণকে অনলাইন জুয়া ও বেটিং কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে অনলাইন বেটিং বা জুয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা চক্রের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন না করার এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

দেশ-জার্নাল

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ১ এজেন্ট গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে কমিশন কেটে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে অর্থপাচারকারী চক্রের আরও এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একাধিক জুয়া সাইটের পরিচালনাকারী ও এজেন্ট মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। 


যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে ০৫.০০ ঘটিকার দিকে (২৯/০৯/২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত) তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম  স্নিগ্ধ সিকদার (৩১), পিতা- স্বপন কুমার সিকদার, মাতা- মিনা রানী সরকার, সাং- গ্রাম- বালিয়াট,  ইউপি- শেখহাটী, থানা- নড়াইল সদর, জেলা- নড়াইল। 


সূত্রে জানা যায়, সিআইডি নিয়মিত সাইবার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনাকালে দেখতে পায় যে, দেশের অভ্যন্তর ও বিদেশ থেকে পরিচালিত বিভিন্ন অনলাইন বেটিং (জুয়া) ওয়েবসাইটের কার্যক্রম প রিচালিত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসব অনলাইন জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলা এবং অনলাইন ক্যাসিনোকে কেন্দ্র করে টাকা লেনদেনের মাধ্যমে এসব বেটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল।


অনলাইন বেটিং সাইটে ব্যবহৃত বিভিন্ন এজেন্টের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এমএফএস ও ব্যাংক হিসাবসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সংগ্রহ করে সিআইডি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সহায়তায় তদন্ত পরিচালনা করে। তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন বেটিংয়ের এজেন্ট নিয়োগ করে তাদের মাধ্যমে এমএফএস ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন। পরবর্তীতে জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত এজেন্টদের কমিশন পরিশোধের পর অবশিষ্ট অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিদেশে পাচার করা হতো।


ইতোপূর্বে গত ১৩/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে এ মামলার অপর আসামি সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সুমন রায় আন্তর্জাতিক অনলাইন বেটিং ও অবৈধ জুয়া চক্রের বাংলাদেশ অংশের অন্যতম প্রধান কো-অর্ডিনেটর এবং আর্থিক লেনদেন (Deposit & Withdraw) নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে কাজ করতেন। পুরনো সাইটের পাশাপাশি পরবর্তীতে নতুন জুয়া সাইটের কাস্টমার সাপোর্ট  পরিচালনার দায়িত্বও তিনি পালন করতেন মর্মে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়।


গ্রেফতারকৃত সুমন রায় আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং জবানবন্দিতে তার সহযোগী হিসেবে স্নিগ্ধ শিকদারের নাম প্রকাশ করেন। প্রাথমিক তদন্তে স্নিগ্ধ শিকদারের সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় সিআইডি তেজগাঁও থানায় মামলা নং-২০, তারিখ ১৭/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২০(২)/২১(২)/২২(২)/২৪(২)/২৭(২)/২৯(২) এর তদন্তেপ্রাপ্ত অভিযুক্ত হিসেবে তাকে গ্রেফতার করে।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত স্নিগ্ধ সিকদার (৩১)কে গত ৩০/০৯/২০২৬ খ্রি. বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে  ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক নিজের দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।


উল্লেখ্য, এ মামলায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় সিআইডির একটি চৌকস অভিযানিক দল গত ০৭/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের মো. সোলায়মান (৪৭), মো. সাগর মিয়া (২৮) ও মো. জুয়েল রানা (৩২)-কে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে গত ১৬/০৬/২০২৬ খ্রি. তারিখে নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একই চক্রের মো. রায়হান খান (২১), মো. পাভেল রহমান ভূঁইয়া (২৩) ও আবু জোবায়ের সানি (৩৬)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২/০৭/২০২৬ খ্রি. তারিখে নড়াইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মো. জসিম উদ্দিন (৩৩) ও সুমন রায় (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।


এছাড়াও গত ১৯/০৮/২০২৬ খ্রি. তারিখে রাজশাহী জেলার চন্দ্রিমা থানাধীন পদ্মা আবাসিক এলাকার রোড নং-০২, বাসা নং-২৬৪ থেকে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের সৈয়দ জামান (২৭) ও রুহুল কুদ্দুস @ বাপ্পী (২৮)-কে এবং গত ১৩/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বাবলু মিয়া (২৮), মো. মনির হোসেন (৩০), নূর সাফায়েত ইপ্তি (২৪) ও শামীম আল মামুন (২৯)-কে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।


অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অবৈধ লেনদেন, অর্থপাচার এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্ত দেশি-বিদেশি চক্রের বিরুদ্ধে সিআইডির অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক, অবৈধ ই-ট্রানজেকশন, অর্থপাচার কার্যক্রম এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।


সিআইডি দেশের জনগণকে অনলাইন জুয়া ও বেটিং কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে অনলাইন বেটিং বা জুয়ার নামে কোনো ব্যক্তি বা চক্রের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন না করার এবং এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।


দেশ-জার্নাল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নুরনবী সোহেল

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
অনলাইন জুয়া ও অবৈধ অর্থপাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ১ এজেন্ট গ্রেফতার
0:00 / 0:00
1x