বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রতিনিধিদলের প্রধান নিকোলাস ফ্লেউরি বুধবার (০৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমাইউন কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আইসিআরসি-র দীর্ঘদিনের মানবিক সম্পৃক্ততা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (আইএইচএল) প্রসার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জরুরি সহায়তায় এর অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি জেনেভা কনভেনশন ও আইএইচএল-এর প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় আইএইচএল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (আইএইচএল) প্রসারে বাংলাদেশের সক্রিয় অবদানের কথা তুলে ধরেন, যার মধ্যে গ্লোবাল আইএইচএল ইনিশিয়েটিভের অধীনে “আইএইচএল অ্যান্ড পিস” ওয়ার্কস্ট্রিমের সহ-সভাপতি হিসেবে ভূমিকা পালনও অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও জানান যে, সরকার ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে জর্ডানে অনুষ্ঠিতব্য ‘হাই-লেভেল কনফারেন্স অন হিউম্যানিটি ইন ওয়ার’-এ যথাযথ পর্যায়ে অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে।
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়কে দেওয়া আইসিআরসি-র মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন। বৈশ্বিক মানবিক বিষয়াবলী এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে আইসিআরসি-র অপরিহার্য ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের জন্য আইসিআরসি-কে তার কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
আইসিআরসি প্রধান বাংলাদেশের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশে আইএইচএল সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবিক কার্যক্রমে আরও সহায়তা করার জন্য আইসিআরসি-র প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশ ও আইসিআরসি-র মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) প্রতিনিধিদলের প্রধান নিকোলাস ফ্লেউরি বুধবার (০৭ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমাইউন কবিরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আইসিআরসি-র দীর্ঘদিনের মানবিক সম্পৃক্ততা, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (আইএইচএল) প্রসার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জরুরি সহায়তায় এর অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি জেনেভা কনভেনশন ও আইএইচএল-এর প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় আইএইচএল কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দেন।
প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন (আইএইচএল) প্রসারে বাংলাদেশের সক্রিয় অবদানের কথা তুলে ধরেন, যার মধ্যে গ্লোবাল আইএইচএল ইনিশিয়েটিভের অধীনে “আইএইচএল অ্যান্ড পিস” ওয়ার্কস্ট্রিমের সহ-সভাপতি হিসেবে ভূমিকা পালনও অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও জানান যে, সরকার ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে জর্ডানে অনুষ্ঠিতব্য ‘হাই-লেভেল কনফারেন্স অন হিউম্যানিটি ইন ওয়ার’-এ যথাযথ পর্যায়ে অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছে।
জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়কে দেওয়া আইসিআরসি-র মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন। বৈশ্বিক মানবিক বিষয়াবলী এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে আইসিআরসি-র অপরিহার্য ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনের জন্য আইসিআরসি-কে তার কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
আইসিআরসি প্রধান বাংলাদেশের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশে আইএইচএল সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবিক কার্যক্রমে আরও সহায়তা করার জন্য আইসিআরসি-র প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশ ও আইসিআরসি-র মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বকে আরও সুসংহত করার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন।