Aziz Bhaban, Lift 7, 93 Motijheel, Dhaka 1000    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
দেশ-জার্নাল

নৌকা বাইচসহ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী



নৌকা বাইচসহ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝামা গ্রামে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঝামা নৌকা বাইচ মেলা-২০২৬’। ঐতিহ্যবাহী এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই তীরে বিপুলসংখ্যক দর্শকের সমাগম ঘটে।


প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নৌকা বাইচের মতো দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও খেলাধুলাকে দেশের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যও বৃদ্ধি পায়।


তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা জরুরি। মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও লোকজ উৎসবের আয়োজন আরও বাড়ানো প্রয়োজন।


মন্ত্রী আরও বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে নৌকা বাইচের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এ ধরনের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা, মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে ঝামা গ্রামের নদীর দুই তীরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত হন।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

দেশ-জার্নাল

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


নৌকা বাইচসহ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝামা গ্রামে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঝামা নৌকা বাইচ মেলা-২০২৬’। ঐতিহ্যবাহী এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা দেখতে নদীর দুই তীরে বিপুলসংখ্যক দর্শকের সমাগম ঘটে।


প্রতিযোগিতা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রী।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নৌকা বাইচের মতো দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ও খেলাধুলাকে দেশের মানুষের মধ্যে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যও বৃদ্ধি পায়।


তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে দেশীয় খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা জরুরি। মাদকাসক্তি, অনলাইন জুয়াসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও লোকজ উৎসবের আয়োজন আরও বাড়ানো প্রয়োজন।


মন্ত্রী আরও বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে নৌকা বাইচের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসা এ ধরনের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা, মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে ঝামা গ্রামের নদীর দুই তীরে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত হন।


দেশ-জার্নাল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নুরনবী সোহেল

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নৌকা বাইচসহ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কাজ করছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
0:00 / 0:00
1x