রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল মাবুদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন আট জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন নিশ্চিত করতে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ, আনছার, পূজা উদযাপন পরিষদ ও মণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, বিপিএম আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন রংপুর বিভাগের জনগণকে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সহযোগিতার এই ইতিবাচক ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল মাবুদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন আট জেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন নিশ্চিত করতে রংপুর রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ, আনছার, পূজা উদযাপন পরিষদ ও মণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, বিপিএম আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানিয়েছেন রংপুর বিভাগের জনগণকে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও সহযোগিতার এই ইতিবাচক ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।