পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি, গতকাল (২৯ অক্টোবর ২০২৬) লন্ডনে যুক্তরাজ্যের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি র্যাচেল কাইটের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনার মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদার করা, বিশেষ করে জলবায়ু অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা, জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর, কার্বন বাজার এবং সবুজ ও নীল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সুযোগ।
প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং জলবায়ু কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য বাংলাদেশের চলমান উদ্যোগগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। উভয় পক্ষ নারী ও শিশুদের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের অসম প্রভাব, জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু প্রতিশ্রুতিগুলোকে বাস্তব কর্মে রূপান্তরের গুরুত্ব নিয়েও মতবিনিময় করেছে।
বৈঠকে আসন্ন COP31-এর অগ্রাধিকারগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়, যেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন এবং অভিন্ন জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বর্ধিত সহযোগিতার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি, গতকাল (২৯ অক্টোবর ২০২৬) লন্ডনে যুক্তরাজ্যের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি র্যাচেল কাইটের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিতও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনার মূল বিষয় ছিল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদার করা, বিশেষ করে জলবায়ু অভিযোজন ও স্থিতিস্থাপকতা, জলবায়ু অর্থায়নের সুযোগ, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর, কার্বন বাজার এবং সবুজ ও নীল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের সুযোগ।
প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং জলবায়ু কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার জন্য বাংলাদেশের চলমান উদ্যোগগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। উভয় পক্ষ নারী ও শিশুদের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের অসম প্রভাব, জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক জলবায়ু প্রতিশ্রুতিগুলোকে বাস্তব কর্মে রূপান্তরের গুরুত্ব নিয়েও মতবিনিময় করেছে।
বৈঠকে আসন্ন COP31-এর অগ্রাধিকারগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়, যেখানে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন এবং অভিন্ন জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বর্ধিত সহযোগিতার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।