ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞাকালে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তায় ৬০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৪০০ জন নিবন্ধিত জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারি তালিকায় নাম না থাকায় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রকৃত জেলে। একই সঙ্গে সরকারি নিবন্ধিত ৩ হাজার ২০০ জন জেলের জন্য চাল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।
চাল বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন টবগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাসান এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
স্থানীয় কয়েকজন জেলে অভিযোগ করে বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করলেও সরকারি তালিকায় নাম না থাকায় নিষেধাজ্ঞাকালীন সহায়তার চাল পাচ্ছেন না। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকটে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
এ বিষয়ে টবগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার বলেন, সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলেদের তালিকা অনুযায়ী নিয়ম মেনে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রকৃত জেলে তালিকায় নাম না থাকার কারণে সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকলে তিনি সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তা অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, টবগী ইউনিয়নে সরকারি নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩ হাজার ২০০ জন। তাঁদের সবার জন্য পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ দেওয়া হলে নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করতে সুবিধা হবে।
সরকারের প্রতি জেলেদের আহ্বান
টবগী ইউনিয়নের সরকারি নিবন্ধিত ৩ হাজার ২০০ জন জেলের জন্য প্রয়োজনীয় চাল বরাদ্দ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। পাশাপাশি নিবন্ধন তালিকা পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত কোনো জেলে যেন সরকারি সহায়তা থেকে বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
জেলেদের মতে, মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তাঁদের আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ থাকে। এ সময়ে নিবন্ধিত সব জেলের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করা হলে তাঁদের পরিবারগুলো উপকৃত হবে। তাই বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সুষ্ঠু বণ্টনের মাধ্যমে সব নিবন্ধিত জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞাকালে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তায় ৬০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৪০০ জন নিবন্ধিত জেলেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারি তালিকায় নাম না থাকায় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন প্রকৃত জেলে। একই সঙ্গে সরকারি নিবন্ধিত ৩ হাজার ২০০ জন জেলের জন্য চাল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।
চাল বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন টবগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হাসান এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
স্থানীয় কয়েকজন জেলে অভিযোগ করে বলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করলেও সরকারি তালিকায় নাম না থাকায় নিষেধাজ্ঞাকালীন সহায়তার চাল পাচ্ছেন না। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে আর্থিক সংকটে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
এ বিষয়ে টবগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম হাওলাদার বলেন, সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলেদের তালিকা অনুযায়ী নিয়ম মেনে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রকৃত জেলে তালিকায় নাম না থাকার কারণে সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকলে তিনি সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তা অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, টবগী ইউনিয়নে সরকারি নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৩ হাজার ২০০ জন। তাঁদের সবার জন্য পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ দেওয়া হলে নিষেধাজ্ঞার সময় পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করতে সুবিধা হবে।
সরকারের প্রতি জেলেদের আহ্বান
টবগী ইউনিয়নের সরকারি নিবন্ধিত ৩ হাজার ২০০ জন জেলের জন্য প্রয়োজনীয় চাল বরাদ্দ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। পাশাপাশি নিবন্ধন তালিকা পুনরায় যাচাই করে প্রকৃত কোনো জেলে যেন সরকারি সহায়তা থেকে বাদ না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা।
জেলেদের মতে, মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তাঁদের আয়ের প্রধান উৎস বন্ধ থাকে। এ সময়ে নিবন্ধিত সব জেলের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করা হলে তাঁদের পরিবারগুলো উপকৃত হবে। তাই বরাদ্দ বৃদ্ধি ও সুষ্ঠু বণ্টনের মাধ্যমে সব নিবন্ধিত জেলেকে সহায়তার আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।