Aziz Bhaban, Lift 7, 93 Motijheel, Dhaka 1000    মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
দেশ-জার্নাল

বোরহানউদ্দিনে নৌপুলিশ ফাঁড়ির ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ, দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন



বোরহানউদ্দিনে নৌপুলিশ ফাঁড়ির ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ, দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির মাত্র ২০০ গজের মধ্যে মা ইলিশ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ফাঁড়ির এত কাছাকাছি এলাকায় ইলিশের কেনাবেচার অভিযোগে নৌপুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য ও ঘটনার বিস্তারিত যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির আশপাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় এমন ঘটনা ঘটলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কতটা কার্যকর—তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।

বিশেষ করে মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে যখন নদীতে মাছ ধরা থেকে শুরু করে ইলিশের ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুতের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে, তখন এমন অভিযোগ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ইলিশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ

সরকার ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখার পাশাপাশি বাজার ও মাছ কেনাবেচার স্থানগুলোতেও নজরদারি জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, নদী থেকে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকলেও অবৈধভাবে ধরা মাছের ক্রয়-বিক্রয় চলতে থাকলে সংরক্ষণ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির মাত্র ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির ঘটনা ঘটে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদী ও মাছের বাজার—উভয় স্থানেই নিয়মিত নজরদারি থাকা জরুরি।

এ বিষয়ে হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, তাঁরা রাতে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়েছেন। তবে ওই সময় ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

নৌপুলিশের এ বক্তব্যের পর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ফাঁড়ির কাছেই বিক্রির অভিযোগ, উঠছে নানা প্রশ্ন

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিষেধাজ্ঞার সময় শুধু নদীতে অভিযান পরিচালনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। অবৈধভাবে আহরণ করা মাছ কোথায় বিক্রি হচ্ছে, কারা পরিবহন করছে এবং কোথায় মজুত রাখা হচ্ছে—এসব বিষয়েও নজরদারি প্রয়োজন।

তাঁদের প্রশ্ন, নৌপুলিশ ফাঁড়ির এত কাছাকাছি এলাকায় যদি নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা বন্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি থাকলে এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।

তবে অভিযোগের সত্যতা, বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। যথাযথ যাচাই ছাড়া কাউকে দায়ী করা সমীচীন নয়।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

হাকিমুদ্দিন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কাছে বিষয়টি খতিয়ে দেখে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

তাঁদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে নদী, মাছঘাট, বাজার ও ইলিশ পরিবহনের সম্ভাব্য পথগুলোতে নজরদারি জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি অবৈধভাবে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ শুধু সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয় নয়; এর সঙ্গে দেশের মৎস্যসম্পদ, নদীকেন্দ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য ও জেলেদের জীবিকার স্বার্থ জড়িত। তাই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি।

এখন দেখার বিষয়, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি ইলিশ বিক্রির অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নজরদারি আরও জোরদার করা হয় কি না।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

দেশ-জার্নাল

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬


বোরহানউদ্দিনে নৌপুলিশ ফাঁড়ির ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ, দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির মাত্র ২০০ গজের মধ্যে মা ইলিশ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ফাঁড়ির এত কাছাকাছি এলাকায় ইলিশের কেনাবেচার অভিযোগে নৌপুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য ও ঘটনার বিস্তারিত যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির আশপাশে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় এমন ঘটনা ঘটলে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কতটা কার্যকর—তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।

বিশেষ করে মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে যখন নদীতে মাছ ধরা থেকে শুরু করে ইলিশের ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুতের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে, তখন এমন অভিযোগ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, ইলিশ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ

সরকার ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখার পাশাপাশি বাজার ও মাছ কেনাবেচার স্থানগুলোতেও নজরদারি জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ, নদী থেকে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকলেও অবৈধভাবে ধরা মাছের ক্রয়-বিক্রয় চলতে থাকলে সংরক্ষণ কার্যক্রমের উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির মাত্র ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির ঘটনা ঘটে থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদী ও মাছের বাজার—উভয় স্থানেই নিয়মিত নজরদারি থাকা জরুরি।

এ বিষয়ে হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, তাঁরা রাতে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়েছেন। তবে ওই সময় ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

নৌপুলিশের এ বক্তব্যের পর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রাখার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ফাঁড়ির কাছাকাছি এলাকায় ইলিশ বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

ফাঁড়ির কাছেই বিক্রির অভিযোগ, উঠছে নানা প্রশ্ন

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিষেধাজ্ঞার সময় শুধু নদীতে অভিযান পরিচালনা করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। অবৈধভাবে আহরণ করা মাছ কোথায় বিক্রি হচ্ছে, কারা পরিবহন করছে এবং কোথায় মজুত রাখা হচ্ছে—এসব বিষয়েও নজরদারি প্রয়োজন।

তাঁদের প্রশ্ন, নৌপুলিশ ফাঁড়ির এত কাছাকাছি এলাকায় যদি নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ বিক্রির ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তা বন্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি থাকলে এ ধরনের অভিযোগের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা।

তবে অভিযোগের সত্যতা, বিক্রির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি। যথাযথ যাচাই ছাড়া কাউকে দায়ী করা সমীচীন নয়।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

হাকিমুদ্দিন এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে নৌপুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কাছে বিষয়টি খতিয়ে দেখে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

তাঁদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে নদী, মাছঘাট, বাজার ও ইলিশ পরিবহনের সম্ভাব্য পথগুলোতে নজরদারি জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি অবৈধভাবে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ শুধু সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয় নয়; এর সঙ্গে দেশের মৎস্যসম্পদ, নদীকেন্দ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের খাদ্য ও জেলেদের জীবিকার স্বার্থ জড়িত। তাই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি।

এখন দেখার বিষয়, হাকিমুদ্দিন নৌপুলিশ ফাঁড়ির কাছাকাছি ইলিশ বিক্রির অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নজরদারি আরও জোরদার করা হয় কি না।


দেশ-জার্নাল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নুরনবী সোহেল

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
বোরহানউদ্দিনে নৌপুলিশ ফাঁড়ির ২০০ গজের মধ্যে ইলিশ বিক্রির অভিযোগ, দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন
0:00 / 0:00
1x