ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় পুকুর থেকে কাসমিরা (২০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ৪ নম্বর বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নয়া বাড়ি এলাকায় বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাসমিরা ওই এলাকার এন্তাজুল ও আলেফা দম্পতির মেয়ে। তাঁর স্বামী আবু হাসান মুন্না (২২)। তিনি বড় পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক।
জানা যায়--কাসমিরা কয়েক মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। কিছুদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁর কথা-কাটাকাটি চলছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ ধারণা করছেন, রাতে তাঁকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
তদন্ত শেষে কাসমিরার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় পুকুর থেকে কাসমিরা (২০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ৪ নম্বর বড় পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নয়া বাড়ি এলাকায় বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কাসমিরা ওই এলাকার এন্তাজুল ও আলেফা দম্পতির মেয়ে। তাঁর স্বামী আবু হাসান মুন্না (২২)। তিনি বড় পলাশবাড়ী এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় কৃষক।
জানা যায়--কাসমিরা কয়েক মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। কিছুদিন ধরে স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁর কথা-কাটাকাটি চলছিল বলেও স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মধ্যে কেউ কেউ ধারণা করছেন, রাতে তাঁকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
তদন্ত শেষে কাসমিরার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।