পাবনা বেড়া উপজেলার ২ নম্বর নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নির্বাচনের আগাম হাওয়া। ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন এলাকার প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক মোঃ আঃ মতিন মোল্লা। দলীয় দীর্ঘ সাংগঠনিক তৎপরতা ও স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তাঁকে ঘিরে নির্বাচনী আলোচনা দিন দিন জোরালো হচ্ছে।
মোঃ আঃ মতিন মোল্লা রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের তিন-তিন বার সফল সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বেড়া উপজেলা যুবদলের সম্মানিত যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী হিসেবেও এলাকায় তাঁর বিশেষ সুখ্যাতি রয়েছে। তিনি ঐতিহ্যবাহী ভারেঙ্গা একাডেমী হাই স্কুলের ৫ (পাঁচ) বার নির্বাচিত সফল অভিভাবক সদস্য এবং নতুন ভারেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪ (চার) বারের নির্বাচিত সফল অভিভাবক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মতে, প্রবীণ ও নবীন নেতৃত্বের মধ্যে চমৎকার সমন্বয় রক্ষা করা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের আপদ-বিপদে পাশে থাকার কারণে মতিন মোল্লা তৃণমূলে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। বহু রাজনৈতিক মামলা-হামলা ও প্রতিকূলতা সামলে দলের কর্মসূচিতে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি তাঁকে তৃণমূল রাজনীতির আস্থাভাজন ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের ভাষ্য, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মতিন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের অনুন্নত রাস্তাঘাটের আমূল পরিবর্তন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে মোঃ আঃ মতিন মোল্লা জানান, "আমি দীর্ঘ দিন ধরে দলের আদর্শ এবং এলাকার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। ইউনিয়নবাসী ও তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবির মুখে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং এলাকার জনগণ যদি আমার পাশে থাকে, তবে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।"
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি, জনসম্পৃক্ততা ও তরুণ-প্রবীণদের সমন্বিত সমর্থনের ওপর ভর করে আগামী নির্বাচনে মোঃ আঃ মতিন মোল্লা একজন অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী মাঠে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কতটা শক্ত অবস্থান তৈরি করে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
পাবনা বেড়া উপজেলার ২ নম্বর নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নির্বাচনের আগাম হাওয়া। ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন এলাকার প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক মোঃ আঃ মতিন মোল্লা। দলীয় দীর্ঘ সাংগঠনিক তৎপরতা ও স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় যোগাযোগের কারণে তাঁকে ঘিরে নির্বাচনী আলোচনা দিন দিন জোরালো হচ্ছে।
মোঃ আঃ মতিন মোল্লা রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের তিন-তিন বার সফল সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বেড়া উপজেলা যুবদলের সম্মানিত যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী হিসেবেও এলাকায় তাঁর বিশেষ সুখ্যাতি রয়েছে। তিনি ঐতিহ্যবাহী ভারেঙ্গা একাডেমী হাই স্কুলের ৫ (পাঁচ) বার নির্বাচিত সফল অভিভাবক সদস্য এবং নতুন ভারেঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪ (চার) বারের নির্বাচিত সফল অভিভাবক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রেখে আসছেন।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মতে, প্রবীণ ও নবীন নেতৃত্বের মধ্যে চমৎকার সমন্বয় রক্ষা করা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের আপদ-বিপদে পাশে থাকার কারণে মতিন মোল্লা তৃণমূলে একজন গ্রহণযোগ্য নেতা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। বহু রাজনৈতিক মামলা-হামলা ও প্রতিকূলতা সামলে দলের কর্মসূচিতে তাঁর ধারাবাহিক উপস্থিতি তাঁকে তৃণমূল রাজনীতির আস্থাভাজন ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের ভাষ্য, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবের রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মতিন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তিনি নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নের অনুন্নত রাস্তাঘাটের আমূল পরিবর্তন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে মোঃ আঃ মতিন মোল্লা জানান, "আমি দীর্ঘ দিন ধরে দলের আদর্শ এবং এলাকার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। ইউনিয়নবাসী ও তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবির মুখে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে এবং এলাকার জনগণ যদি আমার পাশে থাকে, তবে নতুন ভারেঙ্গা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।"
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি, জনসম্পৃক্ততা ও তরুণ-প্রবীণদের সমন্বিত সমর্থনের ওপর ভর করে আগামী নির্বাচনে মোঃ আঃ মতিন মোল্লা একজন অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচনী মাঠে এই সামাজিক ও রাজনৈতিক সমীকরণ শেষ পর্যন্ত কতটা শক্ত অবস্থান তৈরি করে।