স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ওই নারী বাজারে সওদা করার সময় জাল নোট দিয়ে কেনাকাটার চেষ্টা করেন। বিষয়টি ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হলে তাঁরা তাঁকে শনাক্ত করেন। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে জাল নোট উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
খবর পেয়ে ভোলা সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক নারী শাহানাজের দাবি, তিনি তাঁর স্বামী সাইফুলের কাছ থেকে ওই টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁদের বাড়ি স্থানীয় কন্ট্রাক্টর বাড়ির সংলগ্ন মাঝি বাড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় জাল নোটের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। তবে জাল নোটের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। জাল নোটের উৎস, সরবরাহ এবং এর সঙ্গে কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।
রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে ওই নারী বাজারে সওদা করার সময় জাল নোট দিয়ে কেনাকাটার চেষ্টা করেন। বিষয়টি ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হলে তাঁরা তাঁকে শনাক্ত করেন। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে জাল নোট উদ্ধার করা হয় বলে দাবি করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
খবর পেয়ে ভোলা সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক নারী শাহানাজের দাবি, তিনি তাঁর স্বামী সাইফুলের কাছ থেকে ওই টাকা সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁদের বাড়ি স্থানীয় কন্ট্রাক্টর বাড়ির সংলগ্ন মাঝি বাড়ি এলাকায় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় জাল নোটের উৎস এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। তবে জাল নোটের উৎস ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। জাল নোটের উৎস, সরবরাহ এবং এর সঙ্গে কোনো চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।