Aziz Bhaban, Lift 7, 93 Motijheel, Dhaka 1000    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
দেশ-জার্নাল

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার পর চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে আসছে টনে টনে পচা ইলিশ



নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার পর চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে আসছে টনে টনে পচা ইলিশ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মৎস্যঘাটে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে একের পর এক মাছবোঝাই ট্রলার ফিরতে শুরু করেছে। তবে ঘাটে আসা এসব ট্রলারের বড় একটি অংশে মিলছে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ইলিশ। ঘাটজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পচা ইলিশ দেখে হতবাক ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। অন্যদিকে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালেও সাগরে মাছ শিকারের অভিযোগ সামনে আসায় নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনেও সাগরে মাছ শিকার বন্ধ ছিল না। বরং বিভিন্ন ঘাটের কিছু আড়তদারের নির্দেশে এবং তাদের কাছ থেকে নেওয়া দাদনের টাকা পরিশোধের চাপে অনেক জেলেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে যেতে হয়েছে। এ ঘটনায় চরফ্যাশনের তিন শতাধিক আড়তদারের বিরুদ্ধে জেলেদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্র ও জেলেদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় শতাধিক ট্রলার ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরতে শুরু করে। এরপর রোববার দুপুর পর্যন্ত ঢালচর, সামরাজ ও বকসীরঘাটসহ বিভিন্ন মৎস্যঘাটে প্রায় অর্ধশত ট্রলার শত শত টন পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ইলিশ নিয়ে নোঙর করে বলে দাবি করা হয়েছে।

জেলেদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় সাগরে অবস্থান করায় এবং পর্যাপ্ত বরফের অভাবে আহরিত ইলিশের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের দাবি, কোনো কোনো ট্রলারে ধরা পড়া ইলিশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পচে যাওয়ায় বিক্রির অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলে ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সামরাজ মৎস্যঘাটের একাধিক জেলে জানান, নিষেধাজ্ঞার আগে ও চলাকালে গত ৪ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন ঘাটের কিছু আড়তদার তাদের বরফ, জ্বালানি ও খাবার সরবরাহ করে সাগরে পাঠান। সামরাজ, নতুন স্লুইসগেট, খেজুরগাছিয়া, মাইনউদ্দি ঘাট, ঢালচর, বকসীরঘাট, ঘোষেরহাট, চরকচ্ছপিয়া, কুকরি-মুকরি ও পাতিলা ঘাট থেকে এসব ট্রলার সাগরে যায় বলে তারা দাবি করেন।

জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেকেই আড়তদারদের কাছ থেকে আগাম টাকা বা দাদন নিয়ে মাছ ধরার কাজে যুক্ত হন। পরে সেই টাকা পরিশোধের চাপ থাকায় নিষেধাজ্ঞার সময় ঘরে বসে থাকা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আর্থিক দায়বদ্ধতার কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই সাগরে মাছ শিকারে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

তাদের দাবি, দীর্ঘদিন সাগরে অবস্থান করলেও ট্রলারে পর্যাপ্ত বরফের ব্যবস্থা ছিল না। ফলে মাছ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এর পরিণতিতে আহরিত ইলিশের বড় একটি অংশ পচে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ঠিক কতটি ট্রলার সাগরে গিয়েছিল, কত পরিমাণ মাছ ধরা হয়েছে এবং কারা এসব ট্রলার পাঠিয়েছেন—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সামরাজসহ আশপাশের মৎস্যঘাটে পচা ইলিশের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বাজারে মাছের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইলিশ বিক্রির ক্ষেত্রে আড়তদাররা ৭ শতাংশ এবং অন্যান্য মাছ বিক্রির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নিয়ে থাকেন। তাদের দাবি, এই কমিশনসহ বিভিন্ন খরচের কারণে মাছের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

ক্রেতাদের প্রশ্ন, ঘাটে বিপুল পরিমাণ মাছ আসার পরও বাজারে ইলিশের দাম কেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকছে না? পচা মাছের কারণে জেলে ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ভোক্তাদের বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে মাছের দাম বৃদ্ধির পেছনে কমিশন ছাড়াও পরিবহন, সংরক্ষণ, সরবরাহ ও বাজারব্যবস্থার অন্যান্য খরচ কতটা ভূমিকা রাখছে, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন

সামরাজ মৎস্যঘাটের আড়তদার অহিদ মাঝি বলেন, এ ঘাটে ৯৮ জন আড়তদারের প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে আড়তদারদের নির্দেশে জেলেদের সাগরে পাঠানো এবং ঘাটে পচা ইলিশ আসার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।

মৎস্যসম্পদ রক্ষা, জেলেদের নিরাপত্তা এবং বাজারে নিরাপদ মাছ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞার সময় সাগরে মাছ শিকারের অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে পচা ইলিশের উৎস, মাছ সংরক্ষণে বরফের ঘাটতি, সংশ্লিষ্ট ট্রলারের সংখ্যা এবং আড়তদারদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রজনন মৌসুমে ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা এবং ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়ানো। এ সময় আইন অমান্য করে মাছ শিকার হয়ে থাকলে তা মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

তাই জেলেদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি এবং পচা মাছের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে দাদননির্ভরতার কারণে জেলেরা যেন আইন অমান্য করতে বাধ্য না হন, সে জন্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও বিকল্প সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায়ীদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

দেশ-জার্নাল

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার পর চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে আসছে টনে টনে পচা ইলিশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মৎস্যঘাটে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে একের পর এক মাছবোঝাই ট্রলার ফিরতে শুরু করেছে। তবে ঘাটে আসা এসব ট্রলারের বড় একটি অংশে মিলছে পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ইলিশ। ঘাটজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পচা ইলিশ দেখে হতবাক ক্রেতা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। অন্যদিকে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালেও সাগরে মাছ শিকারের অভিযোগ সামনে আসায় নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনেও সাগরে মাছ শিকার বন্ধ ছিল না। বরং বিভিন্ন ঘাটের কিছু আড়তদারের নির্দেশে এবং তাদের কাছ থেকে নেওয়া দাদনের টাকা পরিশোধের চাপে অনেক জেলেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে যেতে হয়েছে। এ ঘটনায় চরফ্যাশনের তিন শতাধিক আড়তদারের বিরুদ্ধে জেলেদের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্র ও জেলেদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার মাত্র ছয় ঘণ্টার মাথায় শতাধিক ট্রলার ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরতে শুরু করে। এরপর রোববার দুপুর পর্যন্ত ঢালচর, সামরাজ ও বকসীরঘাটসহ বিভিন্ন মৎস্যঘাটে প্রায় অর্ধশত ট্রলার শত শত টন পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত ইলিশ নিয়ে নোঙর করে বলে দাবি করা হয়েছে।

জেলেদের ভাষ্য, দীর্ঘ সময় সাগরে অবস্থান করায় এবং পর্যাপ্ত বরফের অভাবে আহরিত ইলিশের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের দাবি, কোনো কোনো ট্রলারে ধরা পড়া ইলিশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পচে যাওয়ায় বিক্রির অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ মাছ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়েছেন জেলে ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সামরাজ মৎস্যঘাটের একাধিক জেলে জানান, নিষেধাজ্ঞার আগে ও চলাকালে গত ৪ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন ঘাটের কিছু আড়তদার তাদের বরফ, জ্বালানি ও খাবার সরবরাহ করে সাগরে পাঠান। সামরাজ, নতুন স্লুইসগেট, খেজুরগাছিয়া, মাইনউদ্দি ঘাট, ঢালচর, বকসীরঘাট, ঘোষেরহাট, চরকচ্ছপিয়া, কুকরি-মুকরি ও পাতিলা ঘাট থেকে এসব ট্রলার সাগরে যায় বলে তারা দাবি করেন।

জেলেদের ভাষ্য অনুযায়ী, অনেকেই আড়তদারদের কাছ থেকে আগাম টাকা বা দাদন নিয়ে মাছ ধরার কাজে যুক্ত হন। পরে সেই টাকা পরিশোধের চাপ থাকায় নিষেধাজ্ঞার সময় ঘরে বসে থাকা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে আর্থিক দায়বদ্ধতার কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই সাগরে মাছ শিকারে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

তাদের দাবি, দীর্ঘদিন সাগরে অবস্থান করলেও ট্রলারে পর্যাপ্ত বরফের ব্যবস্থা ছিল না। ফলে মাছ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এর পরিণতিতে আহরিত ইলিশের বড় একটি অংশ পচে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ঠিক কতটি ট্রলার সাগরে গিয়েছিল, কত পরিমাণ মাছ ধরা হয়েছে এবং কারা এসব ট্রলার পাঠিয়েছেন—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সামরাজসহ আশপাশের মৎস্যঘাটে পচা ইলিশের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও বাজারে মাছের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইলিশ বিক্রির ক্ষেত্রে আড়তদাররা ৭ শতাংশ এবং অন্যান্য মাছ বিক্রির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নিয়ে থাকেন। তাদের দাবি, এই কমিশনসহ বিভিন্ন খরচের কারণে মাছের দাম বেড়ে যায়, যার প্রভাব পড়ে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর।

ক্রেতাদের প্রশ্ন, ঘাটে বিপুল পরিমাণ মাছ আসার পরও বাজারে ইলিশের দাম কেন সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকছে না? পচা মাছের কারণে জেলে ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ভোক্তাদের বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

তবে মাছের দাম বৃদ্ধির পেছনে কমিশন ছাড়াও পরিবহন, সংরক্ষণ, সরবরাহ ও বাজারব্যবস্থার অন্যান্য খরচ কতটা ভূমিকা রাখছে, তা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন

সামরাজ মৎস্যঘাটের আড়তদার অহিদ মাঝি বলেন, এ ঘাটে ৯৮ জন আড়তদারের প্রায় দেড়শ কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে আড়তদারদের নির্দেশে জেলেদের সাগরে পাঠানো এবং ঘাটে পচা ইলিশ আসার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।

মৎস্যসম্পদ রক্ষা, জেলেদের নিরাপত্তা এবং বাজারে নিরাপদ মাছ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞার সময় সাগরে মাছ শিকারের অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে পচা ইলিশের উৎস, মাছ সংরক্ষণে বরফের ঘাটতি, সংশ্লিষ্ট ট্রলারের সংখ্যা এবং আড়তদারদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রজনন মৌসুমে ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করা এবং ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়ানো। এ সময় আইন অমান্য করে মাছ শিকার হয়ে থাকলে তা মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

তাই জেলেদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি এবং পচা মাছের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে দাদননির্ভরতার কারণে জেলেরা যেন আইন অমান্য করতে বাধ্য না হন, সে জন্য তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও বিকল্প সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও দায়ীদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।


দেশ-জার্নাল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নুরনবী সোহেল

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার পর চরফ্যাশনের সামরাজ ঘাটে আসছে টনে টনে পচা ইলিশ
0:00 / 0:00
1x